Skip to content
সাহিত্য ডটকম সাহিত্য ডটকম

  • হোম
  • প্রবন্ধ
  • কবিতা
  • কথাসাহিত্য
  • আলাপ
  • প্রতিকৃতি
  • বই
  • বিবিধ
    • অ্যানেকডোট
  • ইতিহাস
  • দর্শন
সাহিত্য ডটকম
সাহিত্য ডটকম

বিল ক্লিনটন ও জেমস প্যাটারসনের থ্রিলার দ্য প্রেসিডেন্ট ইজ মিসিং থেকে নির্বাচিত অংশের অনুবাদ

Posted on June 9, 2018 By সাহিত্য ডেস্ক

বর্তমান সময়ের সবচাইতে অপ্রত্যাশিত সাহিত্যিক জুটি হিসাবে আত্মপ্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট বিল ক্লিনটন এবং বেস্টসেলিং থ্রিলার লেখক জেমস প্যাটারসন।

৪ জুন, ২০১৮ তে প্রকাশিত যৌথ রচনার এ উপন্যাসটিকে “ক্ষমতার সর্বোচ্চ মহলের নেপথ্যে চলতে থাকা আন্তর্জাতিক সাসপেন্স, চক্রান্ত ও নাটকীয়তার এক অনন্য সম্মিলন” বলে গণমাধ্যমে প্রচার করা হচ্ছে।

যদিও এর আগে ক্লিনটন চারটি নন-ফিকশন বই লিখেছেন, কিন্তু আমেরিকার ইতিহাসে এবারই প্রথম কোনো সাবেক প্রেসিডেন্ট কল্পকাহিনী লেখায় হাত দিলেন। অ্যালেক্স ক্রস, দ্য উইমেন’স মার্ডারস ক্লাব, মাইকেল বেনেট ইত্যাদি থ্রিলার সিরিজের জন্য বিখ্যাত জেমস প্যাটারসন থাকছেন ক্লিনটনের সহ-লেখক হিসেবে। ২০১৬ সালে ফোর্বস ম্যাগাজিন তাকে টানা তিনবারের মতো সবচাইতে বেশি আয় করা লেখক হিসেবে ঘোষণা করে; সারা বিশ্বে প্রায় ৩৭৫ মিলিয়ন বই বিক্রি হয়েছে তার।

 

অন্যদিকে, ২০০৪ সালে প্রকাশিত ক্লিনটনের আত্মজীবনী ‘মাই লাইফ’ও পৃথিবীজুড়ে বেস্টসেলার হয়েছিল। তাদের নতুন এ বইয়ের সফলতা নিয়ে তাই সবার প্রত্যাশা স্বাভাবিকভাবেই অনেক বেশি। এমনকি এন্টারটেইনমেন্ট কোম্পানি ‘শোটাইম’ এর তত্ত্বাবধানে প্রকাশের আগেই এর কাহিনি অবলম্বনে টিভি সিরিজ নির্মাণের কাজ শুরু হয়ে গেছে।

ক্লিনটন ও প্যাটারসনের পরিচয় প্রায় দশ বছর যাবত, এই লম্বা সময় তারা কাটিয়েছেন গলফ খেলার পার্টনার হিসাবে। একসাথে বই লেখার আইডিয়াটা আসে তাদের আইনজীবীর কাছ থেকে। ২০১৬ সালের শেষের দিকে লেখা শুরু হয়। আমেরিকায় যৌথভাবে বইটি প্রকাশনার দায়িত্ব নিয়েছে ক্লিনটনের নিয়মিত প্রকাশক আলফ্রেড এ. কা’নফ এবং প্যাটারসনের প্রকাশক লিটল, ব্রাউন অ্যান্ড কোম্পানি। এছাড়া ইউকেতে বইটি পেঙ্গুইন র‍্যানডম হাউজের ব্যানারে প্রকাশ করা হয়।

‘ফিকশন ফ্যাক্টরি’ নামে খ্যাত প্যাটারসনের অবশ্য যৌথ রচনার ব্যাপারে যথেষ্ট অভিজ্ঞতা রয়েছে। বেশ কিছু থ্রিলার সিরিজে তার সহ-লেখক হিসেবে ছিলেন অনেকেই। তবে প্রাক্তন প্রেসিডেন্টের সাথে কাজ করায়, হোয়াইট হাউজের সরাসরি অভিজ্ঞতার ক্ষেত্রে তাদের বইটি “তথ্যগতভাবে স্বতন্ত্র” হতে পেরেছে বলে মনে করেন তিনি। তার কথায়, “আমি একজন গল্পকার। আর প্রেসিডেন্ট ক্লিনটনের অন্তর্জ্ঞান সেই গল্পকে আরো ইন্টারেস্টিং করে তুলেছে। পাঠকরা সাসপেন্সের প্রতি আগ্রহী তো হবেনই, কিন্তু সেই সাথে একজন প্রেসিডেন্টের ভূমিকায় কাজ করার প্রকৃত অভিজ্ঞতা সম্বন্ধেও জানতে পারবেন তারা — এমনই এক বিরল সংমিশ্রণ ঘটেছে এখানে।”

প্যাটারসনের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা নিয়ে ক্লিনটন বলেন, “কখনো কখনো এমন হয়েছে, আমরা গল্পের কোনো টুইস্ট নিয়ে আলোচনা করছি, তখন জিমের কাছে মনে হচ্ছে ঘটনাটা হয়তো একটু বেশিই অতিরঞ্জিত হয়ে গেল। আমি অবশ্য বুঝতে পারছিলাম উনি কেন এমনটা মনে করছেন। তখন আমি বলতাম, ‘দেখেন জিম, আমি যতটুকু জানি, তার ভিত্তিতে এরকম একটা ঘটনা ঘটা অসম্ভব কিছু না।'”

 

গোপন বেজমেন্ট ও গুপ্তপথ সমৃদ্ধ স্থাপনা হোয়াইট হাউজ যেকোনো থ্রিলারের জন্যই আদর্শ প্রেক্ষাপট। আর বিল ক্লিনটনের কাছ থেকে পাওয়া প্রতিটি তথ্যের বাড়তি দ্যোতনা পাঠকদের জন্য নিয়ে আসতে পারে অভিনব সব চমক। লেখক লি চাইল্ড ইতোমধ্যে বইটিকে ‘থ্রিলার অফ দ্য ডেকেড’ আখ্যা দিয়েছেন।

আরো পড়ুন: “বড় বই আমার ভাল লাগে” – বিল ক্লিনটন

‘দ্য প্রেসিডেন্ট ইজ মিসিং’ এর গল্প আমেরিকার একজন ক্ষমতাসীন প্রেসিডেন্টকে নিয়ে, যিনি এক আন্তর্জাতিক সঙ্কটের সময় নিখোঁজ হয়ে যান। এর পরবর্তী তিন দিনে আমেরিকার ইতিহাসে সবচেয়ে নাটকীয় ও ভয়ঙ্কর সময় কাটে।

বইটির নির্বাচিত কিছু অংশের অনুবাদ—

“দেখুন কংগ্রেসম্যান কার্নস, এটা জাতীয় নিরাপত্তার ব্যাপার। কাউকে ফাঁদে ফেলার খেলা চলছে না এখানে। খুবই সিরিয়াস একটা বিষয়। আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে, আমি খুশি মনে সেসবের উত্তর দিতে রাজি আছি।”

“মি. প্রেসিডেন্ট, আলজেরিয়ার সেই প্লেনে একজন আমেরিকান মারা গেছেন। একজন সিআইএ কর্মী ছিলেন তিনি। নাথান ক্রোমার্টি নামের সেই অপারেটিভ রাশিয়া-বিরোধী মিলিশিয়া গ্রুপের হাত থেকে সুলিমান সিন্দোরুককে বাঁচাতে গিয়ে মারা যান। আমার মনে হয় আমেরিকান জনগণ ব্যাপারটাকে যথেষ্ট সিরিয়াস বলেই মনে করে।”

“নাথান ক্রোমার্টি একজন হিরো ছিলেন,” বললাম আমি, “আমরা তার মৃত্যুতে শোকাহত। আমি তার মৃত্যুতে শোকাহত।”

“আপনি নিশ্চয়ই ক্রোমার্টির মাকে এই ব্যাপারে কথা বলতে শুনেছেন,” বললেন তিনি।

হ্যাঁ, আমরা সবাই শুনেছি তার কথা। আলজেরিয়ার ঘটনাটার পর আমরা জনসাধারণকে প্রকাশ্যে কিছুই জানাইনি। জানানো সম্ভব ছিল না। কিন্তু তারপর সেই মিলিশিয়া গ্রুপ অনলাইনে একজন মৃত আমেরিকানের ভিডিও ছেড়ে দেয়। ভিডিওতে নিজের ছেলে নাথানকে চিনতে ক্লারা ক্রোমার্টি’র বেশি সময় লাগেনি। এমনকি তিনি নাথানের সিআইএ কর্মীর গোপন পরিচয়ও প্রকাশ করে দেন। প্রচন্ড রকমের তুলকালাম বেধে যায়। মিডিয়া ছুটে যায় তার কাছে। এর কয়েক ঘন্টার মধ্যেই তিনি দাবী করা শুরু করেন, কেন তার ছেলেকে এমন একজন সন্ত্রাসীর জীবন বাঁচাতে গিয়ে মারা যেতে হলো যে কিনা শত শত নিরপরাধ মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী। অনেক আমেরিকানও তার হাতে মারা গিয়েছে। এই দুঃখ দুর্দশার মধ্য দিয়েই ক্লারা ক্রোমার্টি যেন আইনসভার সিলেক্ট কমিটির শুনানির চিত্রনাট্য লিখে ফেললেন।

“মি. প্রেসিডেন্ট, আপনার কি মনে হয় না ক্রোমার্টি পরিবারকে আপনার কিছু জবাব দেওয়ার আছে?”

“নাথান ক্রোমার্টি একজন হিরো,” আমি আবারও বললাম, “তিনি একজন দেশপ্রেমিক ছিলেন। আর তিনিও খুব ভালো করে বুঝতেন, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে আমরা যেধরনের কাজ করি, তার বেশিরভাগই প্রকাশ্যে জানানো সম্ভব হয় না। আমি আলাদাভাবে মিসেস ক্রোমার্টির সাথে কথা বলেছি। তার ছেলের সাথে যা হয়েছে, সে ব্যাপারে আমি গভীরভাবে দুঃখিত। এর বেশি কিছু আমি বলতে পারব না। আর কিছু বলা আমার পক্ষে সম্ভব না, আমি বলবও না।”

“তা আপনার কি এখন মনে হচ্ছে না, সন্ত্রাসীদের সাথে সমঝোতা করবার আপনার যে নীতি সেটা খুব একটা কাজে আসেনি?”

“আমি সন্ত্রাসীদের সাথে কখনো সমঝোতা করি না।”

“সমঝোতা বলেন আর যাই বলেন,” তিনি বলে চলেছেন, “তাদেরকে কল দেওয়া, বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করা, তাদেরকে প্রশ্রয় দেওয়া—”

“আমি কখনোই তাদের প্রশ্রয়—”

… “মি. প্রেসিডেন্ট, এ ব্যাপারে আপনি মোটেও লুকাছাপা করেননি যে, শক্তি প্রয়োগের চাইতে বরং সন্ত্রাসীদের সাথে আলাপ-আলোচনা করে সমস্যা সমাধান করতেই বেশি পছন্দ করেন আপনি।”

“না,” জোর দিয়ে বললাম আমি। আমার কপালের শিরা দপদপ করছে, কারণ এধরনের অতি সরলীকরণের নমুনাই বুঝিয়ে দেয় আমাদের রাজনীতির সমস্যাটা ঠিক কোন জায়গায়, “আমি বারবার যে কথাটা বলেছি তা হলো, যদি একটা সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার কোনো শান্তিপূর্ণ উপায় থাকে, তাহলে সেই পন্থা বেছে নেওয়াই ভালো। আলোচনার মানে তো আত্মসমর্পণ করা না। আমরা কি এখানে পররাষ্ট্রনীতি নিয়ে বিতর্ক করতে এসেছি, কংগ্রেসম্যান? আপনাদের এই উইচ হান্টকে বাস্তবিক আলাপ দিয়ে ব্যাহত করার কোনো ইচ্ছা আমার নেই।”

রুমের কোণার দিকটায় তাকালাম আমি। আমাদের কথাবার্তায় ক্যারোলিন ব্রকের চেহারা কুঁচকে গেছে। তার নির্বিকার অভিব্যক্তিতে এধরনের পরিবর্তন সচরাচর দেখা যায় না।

“শত্রুদের সাথে বাতচিত করা এক জিনিস, আর তাদেরকে প্রশ্রয় দেওয়া অন্য জিনিস।”

“আমি শত্রুদেরকে প্রশ্রয় দেই না। তাদের বিরুদ্ধে সামরিক শক্তি প্রয়োগ করার ব্যাপারেও অস্বীকৃতি জানাই না আমি। ওই অপশন সবসময় খোলা থাকে। তবে যতক্ষণ পর্যন্ত প্রয়োজন মনে না হয়, ততক্ষণ আমি সেই রাস্তায় যাই না। কিন্তু কোনো কান্ট্রি ক্লাবের বড়লোকের বাচ্চা হয়তো ব্যাপারটা সহজে বুঝতে পারবে না, যে কিনা সারাজীবন শুধু গড়গড় করে বিয়ার বং খেয়েছে আর কলেজের গুপ্ত ছাত্রসংসদে সবাইকে নামের ইনিশিয়াল ধরে ডেকে ডেকে র‍্যাগিং দিয়ে এসেছে। কিন্তু আমি শত্রুদের সাথে সম্মুখসমরে গিয়েছি। আমাদের ছেলেমেয়েদেরকে যুদ্ধের ময়দানে পাঠানোর আগে আমি অবশ্যই চিন্তা করে নিব, কারণ আমি নিজেও একসময় ওই ছেলেদের একজন ছিলাম। আমি জানি ওখানে রিস্ক কতটুকু।”

জেনি একটু সামনে ঝুঁকে আসলো। ও সবসময় চায় আমি যাতে আমার মিলিটারি সার্ভিসের অভিজ্ঞতা নিয়ে বিস্তারিত কথা বলি। যুদ্ধবন্দী হিসেবে কাটানো সময়ের গল্প শোনাই, আমার সব আঘাত আর অত্যাচারের কথা বলি তাদেরকে। প্রেসিডেনশিয়াল ক্যাম্পেইনের সময় প্রচন্ড মুশকিলে পড়তে হয়েছিল, কারণ এই একটা ব্যাপার আমার পক্ষে কাজ করেছে। আমার উপদেষ্টারা পারলে সারাক্ষণ আমাকে দিয়ে মিলিটারি অভিজ্ঞতার কথাই বলাতেন। কিন্তু আমি সেই সুযোগ দেইনি। কিছু ব্যাপার আছে যা নিয়ে কথা বলা যায় না।

“মি. প্রেসিডেন্ট, আপনার বক্তব্য কি শেষ—”

“না। আমার বক্তব্য শেষ হয়নি। আমি হাউজ লীডারশিপ আর স্পিকারের কাছে এ ব্যাপারে ইতোমধ্যে সবকিছু ব্যাখ্যা করে বলেছি। আমি আপনাকে বলেছিলাম এই শুনানিতে থাকা আমার পক্ষে সম্ভব না। আপনি বলতে পারতেন, ‘ঠিক আছে মিস্টার প্রেসিডেন্ট। আমরাও দেশপ্রেমী। আপনি যদি সবকিছু খোলাসা করে বলতে নাও পারেন, তাও আপনার সিদ্ধান্তের প্রতি আমাদের শ্রদ্ধা আছে।’ কিন্তু আপনি তো তা করেননি। আমাকে ধরে রেখে খাটো করার সুযোগ ছাড়তে চাননি আপনি। তাই আপনাকে যে কথাটা আমি প্রাইভেটে বলেছি, সেটাই এখন পাবলিকলি বলি—আমি কার সাথে কী নিয়ে কথা বলেছি বা কখন কী ব্যবস্থা নিয়েছিলাম সে ব্যাপারে আপনার আলাদা কোনো প্রশ্নেরই উত্তর দিব না আমি। কারণ এসব নিয়ে মুখ খোলা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ, যা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি। এই দেশকে বাঁচাতে যদি আমার প্রেসিডেন্টের পদ হারাতে হয়, তাহলে তাই করব। কিন্তু আমি কখনোই এমন কোনো কাজ করিনি বা একটা শব্দও আমার মুখ থেকে বের হয়নি যখন ইউনাইটেড স্টেটসের নিরাপত্তার কথা আমার মাথায় ছিল না। এমন কাজ আমি কখনো করবও না।”

তাকে অপমান করে বলা কোনো কথাতেই আমার প্রশ্নকর্তা বিন্দুমাত্র বিচলিত হন নি। বরং তার প্রশ্নগুলি আমার গায়ে খুব ভালোমত লেগেছে বুঝতে পেরে নিশ্চয়ই বেশ উৎসাহ পেয়েছেন তিনি। তার নোটগুলি আবার নেড়েচেড়ে দেখছেন তিনি, প্রশ্ন আর ফলো-আপের ফ্লোচার্টের উপর চোখ বুলাচ্ছেন। আর এদিকে আমি নিজেকে শান্ত করার চেষ্টায় আছি।

… “মিঃ কার্নস, আমার সব ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়ে আপনার সাথে কথা বলতে রাজি আছি আমি। কিন্তু জাতীয় নিরাপত্তার জন্য বিবেচনা করার অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে যা আমাকে সেই অনুমোদন দেয় না। আমি জানি আপনি নিশ্চয়ই এই কথা খুব ভালো করে জানেন। আবার এটাও বুঝি যে কাউকে বাগে পেয়ে অপমান করার এত সহজ সুযোগ ছাড়াও অনেক কঠিন।”

রুমের কোণায় ড্যানি অ্যাকার্স হাত উঁচু করে আছেন। সময় শেষ হবার ইঙ্গিত দিচ্ছেন তিনি।

“ও হ্যাঁ। ঠিক বলেছ, ড্যানি। আমার পক্ষে এই জিনিস আর চালিয়ে যাওয়া সম্ভব না। অনেক হয়েছে। শেষ, আর না।”

মাইক্রোফোনটা টেবিল থেকে ছুঁড়ে ফেললাম আমি। উঠে দাঁড়ানোর সময় আমার চেয়ারটা ধাক্কা দিয়ে ফেলে দিলাম।

সাম্প্রতিক ডেস্ক

Post View: 92

পোস্ট শেয়ার করুন:

Share on X (Twitter) Share on Facebook Share on Pinterest Share on LinkedIn Share on Email Share on WhatsApp
বই

Post navigation

Previous post
Next post

Comment

  1. vnzalv says:
    September 20, 2026 at 9:53 am

    As a daily player I can honestly say this platform treats me like family. The mobile app runs without a single glitch and the cashout requests never keep me waiting. It is refreshing to find a team that actually puts players first. vnzalv

    Reply

মন্তব্য করুন Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Tags

খইট্টাল পাখি মার্গারেট অ্যাটউড

সম্পাদক: ব্রাত্য রাইসু

©2026 সাহিত্য ডটকম | WordPress Theme by SuperbThemes

Terms and Conditions - Privacy Policy