Skip to content
সাহিত্য ডটকম সাহিত্য ডটকম

  • হোম
  • বই
    • প্রথম অধ্যায়
    • বইমেলা
    • প্রকাশনা
  • কথাসাহিত্য
    • গল্প
    • উপন্যাস
    • কবিতা
    • নাটক
    • লেখালেখি
    • ভ্রমণ কাহিনী
    • কাল্পনিক চরিত্র
  • প্রবন্ধ ও বিশ্লেষণ
    • তত্ব
    • প্রবন্ধ
    • ঐতিহ্য
    • সংস্কৃতি
    • ইতিহাস
    • সমালোচনা
    • আত্মজীবনী
  • স্মৃতি
    • চিঠিপত্র
    • স্মৃতিকথা
    • স্মরণ
  • কথোপকথন
    • সাক্ষাৎকার
    • পডকাস্ট
    • বইয়ের আড্ডা
    • বিতর্ক
  • বিবিধ
    • অন্যান্য
    • অ্যানেকডোট
    • লেখক তালিকা
    • পুনর্মুদ্রণ
    • উল্লেখ
    • কোটেশন
    • ছবির গল্প
    • শব্দের গল্প
  • আর্টস
    • চলচ্চিত্র
    • চিত্রশিল্প
    • নৃত্য
    • সঙ্গীত
    • ফটোগ্রাফি
    • মঞ্চ
    • স্থাপত্য
    • এনিমেশন
    • ভিডিও গেমস
    • ডক্যুমেন্টারি
  • চিন্তা
0
সাহিত্য ডটকম
সাহিত্য ডটকম

ডুয়া লিপা’র বুকার বক্তৃতা, ২০২৬

Posted on May 23, 2026June 11, 2026 By সাহিত্য ডেস্ক

ব্রিটিশ-আলবেনীয় সংগীতশিল্পী ডুয়া লিপা (Dua Lipa) বর্তমান সময়ের অন্যতম প্রভাবশালী পপ তারকা। তার জন্ম ১৯৯৫ সালের ২২ আগস্ট, লন্ডনে। তার বাবা কসোভো বংশোদ্ভূত এবং মা আলবেনীয়।

আলবেনীয় ভাষায় ডুয়া শব্দের অর্থ ভালবাসা।  ২০১৭ সালে প্রকাশিত তার প্রথম অ্যালবামের নাম ছিল তার নিজের নামেই—Dua Lipa। ২০২৪ সালে প্রকাশিত তার তৃতীয় ও সর্বশেষ অ্যালবামের নাম র‍্যাডিকাল অপটিমিজম। ২০২৪ সালে টাইম ম্যাগাজিন তাকে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে। ২০২৩ সালে বার্বি চলচ্চিত্রে তিনি মারমেইড বার্বির ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন।

সংগীতের বাইরেও বই পড়া ও সাহিত্য নিয়ে ডুয়া লিপার আগ্রহ দীর্ঘদিনের। ২০২২ সালে তিনি সার্ভিস৯৫ (Service95) নামে একটি মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম প্রতিষ্ঠা করেন। এই প্ল্যাটফর্ম থেকে তিনি নিয়মিত একটি বুক ক্লাব ও পডকাস্ট পরিচালনা করেন। তার বুক ক্লাবে প্রতি মাসে একটি বই বাছাই করা হয় এবং সেই বইয়ের লেখকের সঙ্গে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা চলে।

গত ৮ মে লন্ডনের সাউথব্যাংক সেন্টারে আয়োজিত হয় ইন্টারন্যাশনাল বুকার প্রাইজ-এর দশম বর্ষপূর্তি অনুষ্ঠান। বিশ্বের বিভিন্ন ভাষার সাহিত্যকে ইংরেজিভাষী পাঠকের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ক্ষেত্রে ইন্টারন্যাশনাল বুকার প্রাইজ গত এক দশকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছে। সেই আয়োজনের উদ্বোধনী বক্তব্য দেন ডুয়া লিপা।

নিজের পাঠাভ্যাস, সার্ভিস৯৫ বুক ক্লাব এবং অনুবাদ সাহিত্য নিয়ে অভিজ্ঞতার কথা বলতে গিয়ে তিনি তুলে ধরেন—কীভাবে অনুবাদকৃত ফিকশন মানুষকে অন্য সংস্কৃতি, অন্য জীবন এবং অন্য বাস্তবতার ভেতরে প্রবেশ করার সুযোগ দেয়। নিচে তার বক্তব্যের বাংলা অনুবাদ প্রকাশ করা হল।


অনুবাদকৃত ফিকশনের ক্ষমতা

ডুয়া লিপা
অনুবাদ. আশরাফুল আলম শাওন


যদিও আমি সবসময় নিজেকে শিকড়-বদ্ধ মনে করেছি, কিন্তু আপনারা যাকে ‘লোকাল’ বলেন আমার জীবন কখনোই সেরকম ছিল না। আমি জন্মেছি যুক্তরাজ্যে, কিন্তু আমার প্রথম ভাষা ছিল আলবেনিয়ান। লন্ডন আমার বাড়ি, কিন্তু আমি প্রায়ই রাস্তায় রাস্তায় থাকি। আর যে কাজটা আমি ভালবাসি, সেই কাজ করতে করতে পৃথিবী ঘুরে বেড়ানোর সুযোগ আজকে আমার আছে।

গত বছর আমি ২০টা দেশের ৩৩টা শহরে লাইভ পারফর্ম করেছি, ৯টা আলাদা আলাদা ভাষায় গান গেয়েছি। দেখা যাচ্ছে যে আমার পড়ার অভ্যাসও একই প্যাটার্নের। ৩ বছর আগে যখন আমরা Service95 বুক ক্লাব শুরু করলাম, তখন থেকে এখন পর্যন্ত ৩৩টা মাসিক বইয়ের মধ্যে ৮টা-ই অনুবাদ করা ফিকশন। একই সমান গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হল, এই ৩৩টা বই যে গল্প বলে সেগুলি ছড়িয়ে আছে জাপান, কোরিয়া, নাইজেরিয়া, কলম্বিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, মেক্সিকো, হাঙ্গেরি, নরওয়ে, আফগানিস্তান, পোল্যান্ড, আয়ারল্যান্ড, স্পেন, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স, ভিয়েতনাম এবং অস্ট্রেলিয়া জুড়ে।

আমি যখনই সময় পাই, তখনই পড়ি। যে বইগুলি আমি ভালবাসি তার মধ্যে কিছু বই আমি বুক ক্লাবের জন্য বেছে নিই, আর কিছু বই আমার প্রাইভেট প্যাশন হিসাবে থেকে যায়। আমি এমন একজন পাঠক, যে উপন্যাসে ডুবে যেতে ভালবাসে, মানে সত্যি সত্যি গভীরভাবে ডুবে যেতে ভালবাসে। আমি যখন অনুবাদ করা উপন্যাস পড়ি, আপনাদের কারো কারো কাছে হয়ত এই দৃশ্যগুলি পরিচিত মনে হবে—এক অল্প বয়সী মেয়ের জুতা পরে আমি নেপলসের রাস্তায় হাঁটি, যে বুঝতে শুরু করেছে যে তার ভবিষ্যৎ পরিচয় নির্ধারণ হবে তার জেন্ডার দিয়ে।

আমি যখন আমার বুক ক্লাব শুরু করি, সেটা লন্ডনের কোনো আরামদায়ক ক্যাফেতে ছিল না। ডাউনভিউ এর নারী-কারাগারের একটা রিডিং গ্রুপের সাথে শুরু করেছিলাম।

আমি দেখেছি যে পোল্যান্ডের গ্রামাঞ্চলে প্রাণীরা তাদের শিকারিদের উপর প্রতিশোধ নিচ্ছে—নাকি নিয়ে ফেলেছে? মেক্সিকো সিটির এক বারান্দার এক কবুতরের কাছে থেকে আমি এমন প্রজ্ঞা লাভ করেছি, কিন্তু আমি জানতামই না যে তা আসলে আমার প্রয়োজন ছিল, গুয়াদালুপে নেটেল যেভাবে লিখেছেন, কোনো কিছুই কবুতরের চোখ এড়িয়ে যায় না। ফরাসি উদ্ধারকর্মীদের আলাপ আমি শুনেছি যেখানে তারা সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে ৩০ জন আশ্রয়প্রার্থীকে তারা কোনো সাহায্য পাঠাবে না— তারা বিশ্বাস করেছিল যে ব্রিটিশ মাটিতে তারা আশ্রয় পাবে।

চেকোস্লোভাকিয়ায় এক ভয়ংকর একাকী ভালবাসার যন্ত্রণা আমি অনুভব করেছি। ১৯৬০ এর দশকে টোকিওতে আমি হৃদয় ভাঙার যন্ত্রণা পেয়েছি। এমনকি কলম্বিয়ায় ফায়ারিং স্কোয়াডের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আমি আমার জীবনকে চোখের সামনে ঝলসে উঠতে দেখেছি। আর এই বছর, শপথ নেওয়া কুমারী মেয়েদের সাথে আমার আলবেনিয়ায় পরিচয় হয়েছে।

আমি ভেবেছিলাম যে আমি আলবেনিয়া সম্পর্কে সবই জানি, তবে এই গল্পটা খুঁজে পাওয়ার জন্য আমার প্রয়োজন হয়েছে একজন বুলগেরীয় লেখক, একজন বুলগেরীয় অনুবাদক, একটা ছোট ব্রিটিশ স্বাধীন প্রকাশনী এবং একটি আন্তর্জাতিক পুরস্কার। অন্যদের দৃষ্টিভঙ্গি বুঝতে বইয়ের মত কিছুই নেই—আর অনুবাদ করা ফিকশন সেই অভিজ্ঞতাকে আরো গভীরে নিয়ে যায়। আমার ধারণা, এটা আসলে আমাদের সবার অভিজ্ঞতার একটা ফিউশন, একদিকে এটা খুবই সার্বজনীন, আবার একইসাথে একেবারেই ইউনিক। এটা অন্যদেরকে আলাদা বা ‘আদার’ করে দেখার অ্যান্টিডোট।

আমি যখন আমার বুক ক্লাব শুরু করি, সেটা লন্ডনের কোনো আরামদায়ক ক্যাফেতে ছিল না। ডাউনভিউ এর নারী-কারাগারের একটা রিডিং গ্রুপের সাথে শুরু করেছিলাম। বুকস আনলকড প্রোগ্রামের একটা অংশ হিসেবে আমি গ্যাবির সঙ্গে সেখানে গিয়েছিলাম। বুকার প্রাইজ ফাউন্ডেশন প্রতি বছর যুক্তরাজ্যের কারাগার ও কিশোর অপরাধীদের প্রতিষ্ঠানগুলিতে বুকার মনোনীত বইগুলি বিনামূল্যে দেয়। সেই লিস্টে আন্তর্জাতিক বইগুলিও থাকে।

বই নিয়ে আমার জীবনের সবচাইতে গভীর আলোচনাগুলির একটা হয়েছিল সেদিন সকালে, ডাউনভিউতে, সেই গ্রুপের এক নারী যা বলেছিলেন আমি কখনও ভুলব না—তিনি বলেছিলেন, তিনি যদি ছোটবেলায় আরো বেশি বই পড়তেন, তাহলে হয়ত আজ তিনি এখানে থাকতেন না। ওই মুহূর্তে আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে বই পড়া শুধু সলিটারি অ্যাক্টিভিটির চেয়ে অনেক বেশি কিছু। বই পড়া কোনো বন্ধুর সাথে একটা কনভার্সেশনের দিকে ঠেলে দিতে পারে, অথবা ডাউনভউর মত জায়গায়, কোনো একটা বড় গ্রুপের সাথে গভীর কোনো অভিজ্ঞতা শেয়ার করার মাধ্যম হতে পারে। আর বুক ক্লাবের আলোচনায় এমনও হয় যে যখন আপনি তর্ক করেন বা দ্বিমত করেন, তখন আপনি আরো বেশি কিছু পেয়ে যান।

গত বছর ইন্টারন্যাশনাল বুকার প্রাইজ জিতেছে হার্ট ল্যাম্প উপন্যাস, বানু মুশতাকের লেখা এবং দীপা ভাস্তির অনুবাদ। একটু পরেই আমরা দীপার কথা শোনার সুযোগ পাব। পুরস্কার গ্রহণের সময় তার বক্তৃতায় বানু বলেছিলেন, এই বইটা এই বিশ্বাস থেকে জন্ম নিয়েছে যে কোনো গল্প-ই ছোট নয়; মানুষের অভিজ্ঞতার ট্যাপেস্ট্রিতে প্রতিটা সুতাই পুরো চিত্রের ভার বহন করে। একজন পাঠক হিসাবে, সেই কানেকোশনের সুতাগুলি অনুসরণ করতে চাই। পড়ার আনন্দ কী অপূর্ব, পৃথিবীকে পড়ার আনন্দ কী অসাধারণ! আমাদেরকে এই উপহারটা দেওয়ার জন্য আন্তর্জাতিক বুকার প্রাইজকে ধন্যবাদ।

সংস্কৃতি ডুয়া লিপাবুকার

Post navigation

Previous post
Next post

Leave a Reply Cancel reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Categories

উপন্যাস

লুসিয়াস আপুলিয়াস এর ‘মেটামরফোসিস’ অথবা ‘দ্য গোল্ডেন অ্যাস’

সম্পাদক: ব্রাত্য রাইসু

©2026 সাহিত্য ডটকম | WordPress Theme by SuperbThemes

Terms and Conditions - Privacy Policy